আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেটের বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ উপজেলায় বইছে উন্নয়নের হাওয়া। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন এবং কাজের স্বচ্ছতা তুলে ধরে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন জননেতা মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। সম্প্রতি তার বিশেষ উদ্যোগে চালু করা ‘প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট পোর্টাল’ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, নির্বাচনের আগেই তিনি রেকর্ড সংখ্যক ৩৯৭টি উন্নয়ন প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন।
উন্নয়নের খতিয়ান ও স্বচ্ছতা
নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার আগে ভোটারদের কাছে নিজের কাজের হিসাব দিতে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করছেন সেলিম উদ্দিন। পোর্টালে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী:
এলাকায় মোট ৬১৮টি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল, যার একটি বড় অংশই ইতিমধ্যে আলোর মুখ দেখেছে।
সফলভাবে ৩৯৭টি প্রজেক্ট সম্পন্ন করার মাধ্যমে জনগণের মৌলিক চাহিদ পূরণে সক্ষম হয়েছেন তিনি।
বর্তমানে ২৪টি প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে চলমান রয়েছে, যা নির্বাচনী আমেজকে আরও উৎসবমুখর করে তুলেছে।
মানবিক ও সামাজিক উন্নয়নের চিত্র
ভিডিওর তথ্যানুযায়ী, সেলিম উদ্দিন কেবল ভৌত অবকাঠামো নয়, বরং প্রান্তিক মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনেও বিশেষ নজর দিয়েছেন:
আবাসন: গৃহহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত ১০০টি ঘরের মধ্যে ৯৭টি ঘর ইতিমধ্যে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শিক্ষা ও স্বাবলম্বিতা: ১৫টি শিক্ষা বৃত্তি এবং ২৮টি সেলাই মেশিন বিতরণ প্রকল্প শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য: ৪১টি টিউবওয়েল এবং ৩৪টি উন্নত শৌচাগার নির্মাণ করে বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিত করা হয়েছে।
যোগাযোগ: ৩৬টি গ্রামীণ রাস্তা পাকাকরণের মাধ্যমে যাতায়াত ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা হয়েছে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স
নির্বাচনী বার্তায় সেলিম উদ্দিন স্পষ্ট করেছেন যে, অবিচার ও দুর্নীতির শিকল ভেঙে তিনি একটি সুন্দর সমাজ গড়তে চান। ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট চেয়ে তিনি ভোটারদের আশ্বস্ত করেছেন যে, এই পোর্টালের মাধ্যমেই প্রমাণিত হয় তিনি কতটুকু স্বচ্ছ এবং দায়বদ্ধ।
বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জের সাধারণ ভোটারদের মতে, নির্বাচনের আগে কাজের এমন পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব প্রদান রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এক ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ডিজিটাল এই পোর্টালে নিজেদের এলাকার উন্নয়ন দেখে সাধারণ মানুষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন।
